আজ ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট একনজরে

অনলাইন ডেক্স: জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট। ইতিহাসের বৃহত্তম এই বাজেটের আকার ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (১ জুন) ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর বিকলে ৩টা ৫মিনিটে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সংসদে পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

‘উন্নয়ন অগ্রযাত্রার দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অভিমুখে’ শিরোনামে এবারের বাজেটের সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ডলার সংকটে সৃষ্ট অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলা। এছাড়া দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, ভর্তুকির চাপ সামমলানো এবং রাজস্ব আয় বাড়ানোসহ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বাজেটে। পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা কৃষি, খাদ্য, নতুন কর্মসংস্থান সৃজন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসা।

বাজেটের আয়-ব্যয়

প্রস্তাবিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটের চূড়ান্ত আকার (ব্যয়) ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে আয় ৫ লাখ ৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। ঘাটতি ২ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকা। বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ ৫ দশমিক ২ শতাংশ। বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৫০ লাখ ৬ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা।

বাজেটের আয় আসবে যেভাবে

আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে মোট আয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে আয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এনবিআর কর ছাড়া আয় ৫০ হাজার কোটি টাকা এবং বহির্ভূত আয় ২০ হাজার কোটি টাকা। বৈদেশিক অনুদান থেকে আয় ৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।

ঘাটতি পূরণ করা হবে যেভাবে

আগামী অর্থবছরের বাজেটে মোট ঘাটতি ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক অনুদান বাদে ঘাটতির পরিমাণ ২ লাখ ৫৭ লাখ ৮৮৫ কোটি টাকা। ঘাটতি বাজেট পূরণের সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নিচ্ছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা। আর বিদেশ থেকে ঋণ নিচ্ছে ১ লাখ ২ হাজার হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।

অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণের মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ঋণ নেওয়া হবে ১৮ হাজার কোটি টাকা এবং অনান্য খাত থেকে ঋণ নেওয়া হবে ৫ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের পরিমাণ ৮৬ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা এবং স্বল্পমেয়াদী ঋণ ৪৫ হাজার ৮১৫ কোটি টাকা।

উচ্চতর জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য

আগামী অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৫০ লাখ ৬ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের বাজেটে সংশোধিত জিডিপির চেয়ে ১৩ শতাংশ বেশি। ২০২২-২৩ অর্থবছরে জিডিপির পরিমাণ ৪৪ লাখ ৩৯ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা। জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)

আগামী অর্থবছরের জন্য এডিপি’র আকার ধরা হয়েছে লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের জন্য এডিপি’র আকার ছিল দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা। আাগামী বাজেটের পরিচলন ব্যয় ৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৮১ কোটি টাকা। উন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। খাদ্যে ব্যয় ৫০২ কোটি টাকা এবং ঋণ অগ্রিম বাবদ ব্যয় ৮ হাজার ৪২০ কোটি টাকা।

     এই ক্যাটাগরির অন্যান্য নিউজ

Proda Login

gem visa login

Atomic Wallet Download

Jaxx Liberty Wallet

Jaxx Wallet Download